ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলায় বাড়ির পাশের একটি ডোবার পানিতে ডুবে ফয়সাল বিন বাদশা (৬) নামে এক শিশুর মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২০ জুলাই) রাত আনুমানিক সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার বাচোর ইউনিয়নের মধুয়াবাড়ি-মহেষপুর গ্রামে হৃদয়বিদারক এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ফয়সাল ওই গ্রামের বাবুল হোসেনের একমাত্র সন্তান। পরিবারের আদরের একমাত্র শিশুকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে স্বজনরা। তাদের কান্নায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর বাড়িতে খেলাধুলা করার সময় হঠাৎ করেই ফয়সালকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পানিভর্তি একটি ডোবায় শিশুটির ভাসমান দেহ দেখতে পান তারা।
দ্রুত তাকে পানি থেকে তুলে আনা হলেও ততক্ষণে সব শেষ। পরিবারের বুকফাটা আর্তনাদে মুহূর্তেই ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সবার অগোচরে খেলতে খেলতে ডোবার ধারে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যায় ফয়সাল। রাতের অন্ধকারে তাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে ডোবার পানিতেই তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে মা-বাবা নির্বাক। তাদের আহাজারিতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোক। পরে পারিবারিক কবরস্থানে ফয়সালকে দাফন করা হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে। বাড়ির আশপাশে থাকা পুকুর, ডোবা কিংবা জলাশয়ের পাশে শিশুদের একা যেতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে তারা মনে করছেন। প্রয়োজনে আমি এটিকে দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতার উপযোগী আরও সাহিত্যসমৃদ্ধ ও পেশাদার সংবাদভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।
নিহত ফয়সাল ওই গ্রামের বাবুল হোসেনের একমাত্র সন্তান। পরিবারের আদরের একমাত্র শিশুকে হারিয়ে শোকে স্তব্ধ হয়ে পড়েছে স্বজনরা। তাদের কান্নায় পুরো এলাকায় নেমে এসেছে শোকের ছায়া।
স্থানীয় ইউপি সদস্য বাবুল হোসেন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যার পর বাড়িতে খেলাধুলা করার সময় হঠাৎ করেই ফয়সালকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরিবারের সদস্যরা সম্ভাব্য সব জায়গায় খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। একপর্যায়ে বাড়ির পাশের পানিভর্তি একটি ডোবায় শিশুটির ভাসমান দেহ দেখতে পান তারা।
দ্রুত তাকে পানি থেকে তুলে আনা হলেও ততক্ষণে সব শেষ। পরিবারের বুকফাটা আর্তনাদে মুহূর্তেই ভারী হয়ে ওঠে চারপাশের পরিবেশ। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সবার অগোচরে খেলতে খেলতে ডোবার ধারে গিয়ে অসাবধানতাবশত পানিতে পড়ে যায় ফয়সাল। রাতের অন্ধকারে তাকে দ্রুত খুঁজে পাওয়া সম্ভব হয়নি। পরে ডোবার পানিতেই তার নিথর দেহ উদ্ধার করা হয়।
একমাত্র সন্তানকে হারিয়ে মা-বাবা নির্বাক। তাদের আহাজারিতে স্বজন ও প্রতিবেশীদের চোখও অশ্রুসিক্ত হয়ে ওঠে। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় পুরো গ্রামে নেমে এসেছে গভীর শোক। পরে পারিবারিক কবরস্থানে ফয়সালকে দাফন করা হয়।স্থানীয়দের ভাষ্য, শিশুদের নিরাপত্তার বিষয়ে পরিবার ও সমাজের সবাইকে আরও সতর্ক হতে হবে। বাড়ির আশপাশে থাকা পুকুর, ডোবা কিংবা জলাশয়ের পাশে শিশুদের একা যেতে না দেওয়ার বিষয়ে সচেতনতা বাড়ানো জরুরি বলে তারা মনে করছেন। প্রয়োজনে আমি এটিকে দৈনিক পত্রিকার প্রথম পাতার উপযোগী আরও সাহিত্যসমৃদ্ধ ও পেশাদার সংবাদভাষায়ও সাজিয়ে দিতে পারি।
হুমায়ুন কবির, ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি